কক্সবাজারে জামাই শশুরের শক্তিশালী ইয়াবা সিন্ডিকেট!

239

স্টাফ রিপোর্টার, আলোকিত বিডিঃ-

কক্সবাজারের বাস টার্মিনাল এলাকায় আবারও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে মরণ নেশা ইয়াবা ব্যবসা। প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।  

কক্সবাজারে বাস টার্মিনাল এলাকার জহিরের পুত্র টোকাই কবির । বিভিন্ন সময় গ্রেপ্তার হলেও কিছু দিন পর জামিনে বের হয়ে যায়। এবং সে নিজেক শ্রমিকলীগ নেতা দাবি করে। তার রয়েছে বিশাল সিন্ডিকেট তার সেন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রকাশ্যে চালিয়ে যাচ্ছে মাদক ব্যবসা।

বাস টার্মিনালসহ আশে পাশের বিভিন্ন বস্তিতে চলে টোকাই কবিরের মাদক ব্যবসা। বিভিন্ন মামলার আসামি হয়েও পুলিশের সাথে রয়েছে তার সুসম্পর্ক যার কারণে সে প্রকাশ্যে চালায় ইয়াবা ও বিভিন্ন মাদক ব্যবসা। বিভিন্ন এলাকায় পাইকারী ও খুচরা ইয়াবা বিক্রি করে এলাকার যুব সমাজকে নষ্ট করে দিচ্ছে বলে গোপন সূত্রে খবর পাওয়া যায় ।

বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে টোকাই কবির আত্মগোপনে গেলেও তার মরণ নেশা ইয়াবা বানিজ্য থেমে নেই। জানা যায়, টোকাই কবিরের অবর্তমানে তার  ব্যবসার হাল ধরেছেন তার শ্বশুর আবুল হাশেম!

প্রসাশনের চোখকে ফাঁকি দিতে গড়ে তুলেছেন অনুমোদনহীন আইসক্রিম ফ্যাক্টরি। অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে দেদারসে বানাচ্ছেন আইসক্রিম।  গরমের তৃষ্ণা মেটাতে স্কুলের কোমলমতি শিশুরা এই নোংরা আইসক্রিম খেয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলে জানা গেছে।

আইসক্রিমের গায়ে দেশের নামিদামি ব্র্যান্ডের স্টিকার লাগালেও মূলত  সেখানে বিষাক্ত কেমিক্যাল, সেকারিন, মেয়াদোত্তীর্ণ সেমাই, পচা কলা ও ময়দা  দিয়ে আইসক্রিম বানানো হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বানানো আইসক্রিমগুলো ছোট ছোট ভ্যান গাড়িতে ভাগ করে বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা সরবরাহ করে বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, আবুল হাশেমের মেয়ের জামাই টোকাই কবির একজন তালিকা ভুক্ত ইয়াবা কারবারি।টোকাই কবির দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে গড়ে তোলেন সম্পদের অঢেল পাহাড়। কক্সবাজার জিলংজার পূর্ব লার পাড়ায় রয়েছে একটি দ্বিতল বাড়ি।

তার স্ত্রী ও সন্তানের নামে উখিয়া -টেকনাফ ও কক্সবাজার -চকরিয়া মহাসড়কে দুইটি যাত্রীবাহী মিনি বাস,কয়েকটি পোলট্রি ফার্ম ,৩টি সি এন জি সহ বিভিন্ন ব্যাংক একাউন্টে তার স্ত্রীর নামে রয়েছে মোটা অংকের টাকা।

ইয়াবা কবির জীবন রক্ষার ভয়ে আত্নগোপনে চলে গেলে তার সমস্ত ব্যবসার দেখাশোনার দায়িত্ব নেন তার শাশুড় আবুল হাশেম।টোকাই কবিরের শাশুড় আবুল হাশেম একজন খুবই চালাক ও বুদ্ধিমান প্রকৃতির লোক। নিজের জামাতার এই ইয়াবা ব্যবসা কে প্রসাশন ও জনগনের চক্ষু আড়াল করতে আইসক্রিম বিক্রির পন্থা অবলম্বন করেছেন বলে জানান এলাকাবাসী।

তার এলাকায় তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে মাদক ব্যবসা সহ সমস্ত অপরাধের কাহিনী। উক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন কক্সবাজার বাস টার্মিনালের এলাকাবাসী।

মন্তব্য করুনঃ

এই বিভাগের অন্যান্য খবরঃ

চোখে মুখে ওদের ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন
টেকনাফ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ
টেকনাফে ভাষা ও স্বাধীনতা সংগ্রামী এম,এ শুকুর স্মরণ অনুষ্ঠান শনিবার
অঙ্গীকার শিল্পগোষ্ঠীর টেকনাফ শাখায় ভর্তি চলছে
প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ল এল্যামনাই এসোসিয়েশন "পুলার"ইফতার এবং দোয়া মাহফিলে অনুষ্টিত
দৈনিক কালের কন্ঠ ও দেশবিদেশ পত্রিকায় সাবেক এমপি বদিকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
৪ বছর পর লেবানন থেকে শূণ্য হাতে ফিরল গৃহ শ্রমিক সাফিয়া
রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব এনশিয়্যান্ট চিটাগাং এর অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন
ট্যালেন্ট হান্ট বাংলাদেশ-২০১৯ এর অডিশন সম্পন্ন
টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
টেকনাফ থানা পুলিশের শোক র‌্যালি
টেকনাফ উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত !!