মিথ্যা ইয়াবা মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

1046

স্টাফ রিপোর্টার, আলোকিত বিডি।

জায়গা জমি বিরোধের জের ধরে আব্দু শুক্কুর নামে এক দোকান কর্মচারীকে মিথ্যা ইয়াবা মামলায় জেলে দেয়ার প্রতিবাদে কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। গত বুধবার ( ১ মে) দুপুরে শহরের একটি অভিজাত হোটেলে উখিয়া থানার পুলিশের বিরুদ্ধে এ সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী অসহায় পরিবারের লোকজন। সংবাদ সম্মেলনে আটক আব্দু শুক্কুরের স্ত্রী রেনু আরা বেগম জানান, তার স্বামীর পৈত্রিক জায়গা জমি দখলে নিতে তমিজ উদ্দিন সওদাগর নামে স্থানীয় প্রভাবশালীর লোলুপ দৃষ্টি পড়ে। তিনি বলেন, জমির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় উক্ত প্রভাবশালী তমিজ উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে জমি দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠে। জমি জোরপূর্বক দখলে নিতে ডাম্পার (মিনি) ট্রাক যোগে উক্ত জায়াগায় মাঠি ফেলে জায়গা ভরাট করেন। এসময় তাঁর স্বামী আব্দু শুক্কুর মাঠি ভরাটে বাধাঁ দিতে গেলে তমিজ উদ্দিন সওদাগর বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হয় । পরে তিনি তমিজ উদ্দিন আব্দু শুক্কুরকে দেখিয়ে নেবে বলে প্রকাশ্যে হুমকি দেন। পরবর্তীতে জমি দখল নিতে উখিয়া থানা পুলিশকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে আব্দু শুক্কুরসহ তাঁর পরিবারকে হয়রানি করতে উঠে পড়ে লাগেন তমিজ উদ্দিন সওদাগর। রেনু আরা বলেন, তারই সূত্র ধরে তমিজ উদ্দিন সওদাগর এ এস পি সার্কেল উখিয়ার নির্দেশে ওসি তদন্ত নুরুল ইসলাম মজুমদারকে দিয়ে গত ১৫এপ্রিল (সোমবার) রাত আনুমানি ৯টার দিকে মরিচ্যা বাজারে অবস্থিত চয়েস নামে টাইলসের দোকানে কর্মরত অবস্থায় আব্দুক্কুকে আটক করায় তমিজ উদ্দিন। অন্যায়ভাবে আটক করার সময় স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে তাদেরকেও আটক করে ইয়াবা মামলার আসামী করার হুমকি দেন ওসি তদন্ত নুরুল ইসলাম মজুমদার। পরবর্তীতে থানায় অনেক খোঁজাখুজি করলে উখিয়া থানার ওসি তদন্ত নুরুল ইসলাম মজুমদার আব্দু শুক্কুরকে আটকের বিষয়ে অস্বীকার করেন। তাকে অনেক খোজাঁখুজিঁ করার পর না পেয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান শাহ আলমের কাছে আটকের বিষয়ে জানান আব্দু শুক্কুরের পরিবার। পরবর্তীতে তিনি আব্দু শুক্কুরকে হাজির করার জন্য থানার ওসিকে অনুরোধ জানান। পরে দীর্ঘ তিন দিন পর উখিয়া সার্কেল এ এস পির কার্যালয়ে আহত অবস্থায় তাকে পাওয়া যায় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান স্ত্রী রেনুআরা।

ওসি তদন্ত নুরুল ইসলাম মজুমদার আব্দুশুক্কুর ছেড়ে দেয়ার জন্য ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন আব্দু শুক্কুরের স্ত্রীর কাছে। তারা দিন মজুর কাজ করে কোন রকম পরিবার চলে। কি ভাবে এত টাকা ব্যবস্থা করবে ? তার পরও বিভিন্ন মানুষের দোয়ারে দোয়ারে গিয়ে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দেন বলে জানান স্ত্রী রেনুআরা বেগম। টাকা নেয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বললেও না দিয়ে উল্টো ৬০ পিচ ইয়াবাসহ মামলা দিয়ে কোর্টে চালান করা হয়। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আব্দু শুক্কুরকে ছেড়ে দেয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তেক্ষেপ কামনা, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপার মহোদয়সহ উর্ধতন মহলের হস্তেক্ষেপ কামনা করেছেন।

মন্তব্য করুনঃ

এই বিভাগের অন্যান্য খবরঃ

পাহাড় কাটার দায়ে পিএইচপি’কে জরিমানা
অঙ্গীকার শিল্পগোষ্ঠীর টেকনাফ শাখায় ভর্তি চলছে
কক্সবাজার সৈকতে ট্যুরিস্ট পুলিশের টহলে ব্যবহৃত ৫ বীচ বাইক বিক্রির অভিযোগ
টেকনাফ উপজেলা নির্বাচন আঞ্চলিক সুবিধায় মৌলানা ফেরদৌস
সরকার গরীব মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে- শাহীন বদি এমপি
আগুনে পুড়িয়ে মারা নুসরাতের জন্য কি মন কাঁদছে? নাকি এরই মধ্য ভুলে গেছেন?
অনলাইন সাংবাদিকতা সবচেয়ে স্মার্ট পেশা: জাহিদ ইকবাল
টেকনাফে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে শিল্পমেলার নামে জুয়া খেলা অব্যাহত!
এশিয়ান উইম্যান ভার্সিটির সমাবর্তনে শেরি ব্লেয়ারঃ বিশ্ববৈষম্যের শিকার হচ্ছে রোহিঙ্গারা
টেকনাফে ৩ নারীর পেটে সাড়ে ৩ হাজার ইয়াবা!
এডভোকেট আবু মুসা মুহাম্মদ এর ঈদ শুভেচ্ছা জ্ঞাপন
রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব এনশিয়্যান্ট চিটাগাং এর অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন