জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার্থীদের প্রতি নুর হোসেন(বিএ)চেয়ারম্যানের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন !!

149

[    মিজানুর রহমান মিজান   ]

“শিক্ষাই জাতীর মেরুদন্ড”

‘আজকের শিক্ষার্থীরাই
আগামীর বাংলাদেশের
ভবিষ্যৎ”

সারাদেশের মতো ০২ নভেম্বর শনিবার টেকনাফ উপজেলাতেও (জেএসসি)ও (জেডিসি)পরীক্ষা শুরু হবে।টেকনাফ উপজেলা ও সাবরাং ইউনিয়ন-সহ দেশের প্রত্যেক জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার্থীদের প্রতি সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে নুর হোসেন বিএ,চেয়ারম্যান শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা ও দোয়া জানিয়েছেন।

গতকাল ০১নভেম্বর সাবরাং ০৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ কাউন্সিল ও সভা পরবর্তী বহুল প্রচারিত স্থানিয় অনলাইন নিউজ “ডেইলি টেকনাফ’কে শিক্ষার্থীদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বার্তা জানান।এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের অগনিত কর্মী ও সমর্থকেরা।

তিনি বলেন,
প্রতিটি পরীক্ষার্থী/শিক্ষার্থীর জন্য এই পরীক্ষাটি অতিব জরুরী ও গুরুত্বপূর্ণ।এই পরীক্ষার ফলাফল দিয়েই নির্ভর করবে প্রতিটি শিক্ষার্থী বা পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ।আজকে যারা পরীক্ষায় অংশগ্রহন করছে তারাই একদিন এই দেশ পরিচালনা করবে।তাদের হাতেই থাকবে একটি দেশ ও জাতীর ভবিষ্যৎ,তাই এই পরীক্ষা হচ্ছে ভবিষ্যতের মূল বা ভিত্তি।মেধাবী হয়ে সুনাগরিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তূলতে পারলে আগামী দিনে দেশ মাতৃকার ভাগ্যউন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে।
এখনকার পড়া লেখা অনেক উন্নত,বহির্বিশ্বের সাথে পড়ালেখার মানের সমন্বয় রেখে বাংলাদেশের পাঠ্যক্রমের গঠন প্রনালী তৈরী করা হয়েছে,জননেত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বেশী বরাদ্ধ রেখে শিক্ষার মাধ্যমকে ডিজিটালাইজড করে সহজ করে দিয়েছেন তাই সহজেই শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় পাঠ সংগ্রহ ও আয়ত্ব করতে পারে।
শিক্ষানুরাগী শিক্ষামন্ত্রী ও উপ শিক্ষা মন্ত্রী মহোদয় শিক্ষার হার বাড়াতে ও কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন জাতী গঠনে রাতদিন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।প্রত্যেক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যাগ,মাসিক বেতন,বৃত্তি,উপবৃত্তি,খাবারসহ নানাবিধ সুযোগ সুবিধা সরকারিভাবে ব্যবস্থা করছেন এটা একটা যুগান্তকারী পদক্ষেপ।জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশের অন্যান্য উন্নয়নের সাথে শিক্ষাখাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার কারণে দুঃস্ত গরিব পরিবারের ছেলে মেয়েরাও আজকে সমানভাবে শিক্ষা গ্রহন করতে সক্ষম হয়েছেন।যা
আমাদের সময়ে এ সুযোগ সুবিধা ছিলনা,আজকে যারা দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, দেশ চালাচ্ছেন সবাই একদিন ছাত্র ছিলেন,নিজেকে যুগ্যতাসম্পন্ন করে গড়ে তূলতে সক্ষম হয়েছেন বলে আজ দেশ ও জাতীর প্রতিনিধিত্ব করছেন,তদ্রপ সবসমই দেশের সুচনালগ্ন থেকে এদেশের সঠিক ইতিহাস জেনে আদর্শবান, মেধাবী,দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।

নুর হোসেন চেয়ারম্যান বিশেষ ভাবে গুরুত্বের সাথে কিছু নিয়ম নীতির প্রতি যত্নবান হবার কথা বলেন
পরীক্ষার আগের রাতে করনীয় কিছু কাজ,যেমন * পরীক্ষার সময়সূচিটি পড়ার টেবিলের সামনে অবশ্যই লাগিয়ে রাখতে হবে। এতে পরীক্ষার দিন ও তারিখ সহজেই দেখতে পারে।* পরীক্ষার আগের রাত খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি রাত। এই রাতে পরবর্তী দিনের পরীক্ষার বিষয়ে মনোযোগ দিয়ে বারবার পড়তে হবে। প্রস্তুতি অনুসারে ‘রিভিশন’ দিতে হবে।

কোনো অবস্থাতেই অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকা যাবে না। কারণ, ভালো পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ভালো ঘুম যথেষ্ট প্রয়োজন।রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পরীক্ষার প্রবেশপত্র, পরীক্ষাসংক্রান্ত সামগ্রী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস গুলো দেখে ঠিক করে রাখতে হবে।
জাতির আগামীদিনের ভবিষৎ আজকের পরীক্ষার্থীদের জন্য অনেক দোয়া ও শুভকামনা জানান এক সময়ের মেধাবী ছাত্র নুর হোসেন বিএ,চেয়ারম্যান।

জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার সময়সূচী::-
এবছর জেএসসি ও জেডিসিতে মোট ছাত্র সংখ্যা ১২ লাখ ২১ হাজার ৬৯৫ জন। ছাত্রী ১৪ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮৭ জন। মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ জন। মোট কেন্দ্র দুই হাজার ৯৮২টি। ২০১৯ সালে মোট ২৯ হাজার ২৬২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষায় অংশ নেবে।
এবার জেএসসি পরীক্ষায় অনিয়মিত পরীক্ষার্থী ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩১০ জন ও জেডিসি পরীক্ষায় ৩০ হাজার ২৯১ জন। জেএসসি পরীক্ষায় বিশেষ এক, দুই ও তিন বিষয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থী ২ লাখ ১১ হাজার ৩৩২ জন ও জেডিসিতে ২১ হাজার ৯৭৮ জন।

এছাড়া এবছর বিদেশে মোট নয়টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কেন্দ্রগুলো- জেদ্দা, রিয়াদ, মদিনা, ত্রিপলি, দোহা, সাহাম, বাহরাইন, আবুধাবি ও দুবাই। বিদেশের কেন্দ্রগুলোতে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৫৪ জন।

পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে শিক্ষক, ছাত্র, কর্মচারীরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না।

এবারও প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় পাবে। এছাড়া দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পালসিজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই তারা শ্রুতি লেখক সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারবেন। এছাড়া অটিস্টিক, ডাউন সিনড্রোম এবং সেরিব্রাল পালসিজনিত প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বৃদ্ধিসহ শিক্ষক, অভিভাবক বা সাহায্যকারীর বিশেষ সহায়তায় পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ দেয়া হবে।
প্রত্যেক পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার যাবতীয় সরঞ্জাম নিয়ে মা বাবার দোয়া/আশির্বাদ নিয়ে অন্তত ১ঘন্টা আগে কেন্দ্রে উপস্থিত থাকা বাঞ্চনীয়

মন্তব্য করুনঃ

এই বিভাগের অন্যান্য খবরঃ

প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ল এল্যামনাই এসোসিয়েশন "পুলার"ইফতার এবং দোয়া মাহফিলে অনুষ্টিত
ফেনীর মহিপালে ৯হাজার ৩শ ১০পিস ইয়াবাসহ টেকনাফের দুই মাদক কারবারী আটক !!
টেকনাফ সমিতি চট্টগ্রামের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত: শিক্ষাবৃত্তি প্রদানে ফান্ড গঠন
মেরিন ড্রাইভ সড়কে ভয়াবহ পাহাড় ধস, আহত১৮ ! !
আন্তর্জাতিক ওয়ার্কশপে যোগ দিতে কক্সবাজারের এসপি মাসুদ ফিলিপাইন যাচ্ছেন
টেকনাফ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ
চট্টগ্রাম শিক্ষানবিশ আইনজীবী কল্যাণ পরিষদের কমিটি গঠন
দেশের উদ্যেশ্যে রওয়ানা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
সমুদ্র পাড়ের মিউজিক আইডল: গান ফেরি করে যার জীবন চলে !!!
গণফোরামের নির্বাচিত সংসদ সদস্য সুলতান মনসুর শপথ নেবেন আগামীকাল
টেকনাফ হোয়াইক্যংএ বিশেষ ভিজিডির চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শাহীন বদি এমপি
বাংলাদেশে আসছেন মাহাথির মোহাম্মদ